বাঞ্ছারামপুর শ্রমিক লীগের উদ্দ্যেগে মে দিবস পালিত

111
মো.নাছির উদ্দিন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর আজ ১ লা মে বিকাল ৪ ঘটিকা সময় উপজেলা চত্বরে শ্রমিক লীগের উদ্দ্যেগে এক বিরাট আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৬)বাঞ্ছারামপুর  উপজেলার আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক সফল প্রতিমন্ত্রী আধুনিক বাঞ্ছারামপুরের স্থাপতি, মাটি ও মানুষের নেতা এবং দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন এ,বি তাজুল ইসলাম তাজ (অব.)এমপি।
বক্তৃতায় বলেন আজ মহান মে দিবস,  শ্রমিকের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে অধিকার আদায়ের গৌরবময় দিন। সারাবিশ্বেই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হয়। দিবসটি প্রতিষ্ঠার পেছনে রয়েছে শ্রমিকদের রক্তঝরা আত্মত্যাগের ইতিহাস।আমি শ্রমিক কল্যান ট্রাস্ট এর  জন্য আমার ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ৫ লাখ টাক দিবো,বিত্তবান যারা আছেন তাদেরকে ও বলবো সহযোগিতা করার জন্য।
শ্রমিক লীগের আহব্বায়ক আ.আজিজের সভাপতিত্বের বক্তব্য বলেন দীর্ঘ শোষণ-বঞ্চনা-অত্যাচার আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে ১৮৮৬ সালের পহেলা মে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিকরা সব কল-কারখানায় শ্রমিক ধর্মঘটের ডাক দেন। ৮ ঘণ্টা কাজ এবং নায্য মজুরির দাবিতে সেদিন শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দেন। লাল ঝাণ্ডা হাতে সেদিন প্রায় তিন লাখ শ্রমিক শিকাগো শহরে হে মার্কেটের সামনে বিক্ষোভ করেন। হে মার্কেটের সামনে শ্রমিকদের বিক্ষোভ সেদিন এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। একপর্যায়ে পুলিশ বিনা উস্কানিতে শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। পুলিশের গুলিতে প্রায় ১০ জন শ্রমিক নিহত হন।
১০ জন শ্রমিক নিহতের ঘটনায় শ্রমিক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাবিশ্বে। শ্রমিকদের সঙ্গে সেই আন্দোলনে সাধারণ ছাত্র-জনতাও সামিল হয়।  ১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে শিকাগোর শ্রমিকদের জীবনদান এবং আন্দোলনের স্বীকৃতি দিতে পহেলা মে ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর পরের বছর ১৮৯০ সাল থেকে পহেলা মে শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
বাংলাদেশে এখনও শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্য মজুরি থেকে বঞ্চিত। দেশে এখনও মজুরি বৈষমের স্বীকার শ্রমিকরা। তাই মে দিবস শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, শ্রমিকদের যথাযোগ্য প্রাপ্য ও সুযোগ-সুবিধা দিলেই মে দিবসের স্বার্থকতা আসবে বলে শ্রমিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন।
এসময় বিশেষ অথিতি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক যুগ্ম সচিব সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষকলীগ  সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিন্টু রঞ্জন সাহা,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস জলি আমির,উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ করিম সাজু,প্রচার সম্পাদক কাজী জাদিদ আল-রহমান জনি,বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ সালাহ্ উদ্দিন চৌধুরী,যুবলীগ সভাপতি সাইদুল ইসলাম বকুল ভূইয়া,সাধারণ সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন,যুব বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল হক বাবুল, যুবলীগের সহসভাপতি বিল্লাল হোসেন,উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মাহমুদুল হাসান ভূইয়া, সঞ্চালনায় করেন,সৈয়দ মোহাম্মদ খোকন,রবিউল আউয়াল ও আলমগীর হোসেন,সার্বিক সহযোগিতায়,মো.তারা মিয়া ও নয়ন মিয়া,এসময় আরো উপস্হিত ছিলেন, ছাত্রলীগ, যুবলীগ,সেচ্ছাসেবক লীগ,কৃষক লীগ, শ্রমিকলীগ ও মহিলা আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মী।