বগুড়ায় শামুকখোলের আগমন

123

জিএম মিজান: বগুড়ার ধুনট উপজেলায় নদী, খাল-বিল বা ধানক্ষেতে দেখা মিলছে দৃষ্টিনন্দন শামুকখোল পাখির। ঝাঁক বেঁধে শামুকখোলের খাবার শিকার বা উড়ে চলা যেন প্রকৃতির সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে তুলেছে। বাংলাদেশে বড় পাখিদের একটি শামুকখোল। ধূসর সাদা শামুকখোলের লেজ ও পাখার শেষ অংশ কালো রঙের। পাখিটি ৮১ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য এবং এর পাখার দৈর্ঘ্য হয় চুয়াল্লিশ সেন্টিমিটার। শামুকখোলের দেহের সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে ঠোঁট। প্রায় ১৪ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য দু’ঠোঁটের মাঝে ফাঁকা থাকে। শামুকখোল সব সময় দল বেঁধে চলে। উপজেলার মথুরাপুর ও গোপালনগর ইউপির বিভিন্ন গ্রামে শামুকখোলের দেখা মিলে। এরা হেঁটে হেঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে নদী, খাল ও ধানক্ষেত থেকে দল বেঁধে চলাফেরা করে। দেখতে বকের মত হওয়ায় স্থানীয়রা একে ভিন্ন প্রজাতির বক হিসেবে ভাবছেন। যা দৃষ্টি কেড়েছে স্থানীয়দের। জলজ এ পাখিকে খাবারের খোঁজে অধিকাংশ সময় ধানক্ষেতেই দেখা যায়। তবে বিশ্রামের জন্য তারা উঁচু গাছে আশ্রয় নেয়। গোপালনগর ইউপির দেউড়িয়া গ্রামের কৃষক আব্দুস ছালাম বলেন, এক সপ্তাহ ধরে শামুকখোলকে ইছামতির অল্প পানিতে দল বেঁধে ঘোরাফেরা করতে দেখছি। খাবার পেলে পাখিগুলো নদীর তীরের সবচেয়ে উঁচু গাছগুলোতে আশ্রয় নেয়।