মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার পরও হয়রানি করা হচ্ছে : চম্পা খান

707

নিজস্ব প্রতিবেদক: চম্পা খান। পিতা মৃত সরাফত আলী। তিতাস উপজেলার মাছিমপুর গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান জবেদ আলীর সাবেক স্ত্রী। এক সময় সে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকলেও বর্তমানে তিনি সরকারের বিশষে ক্ষমা ঘোষণার সময়ে আত্মসমর্পণ করে। এবং তিতাস থানায় লিখিত দেয় যে আর কোন দিন সে মাদকের সাথে জড়াবে না। কিন্তু চম্পা খান অভিযোগ করেন, আমি বর্তমানে ছেলে মেয়ে নিয়ে মান সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। কিন্তু একদল দুষ্কৃতিকারী ফেইক আইডির মাধ্যমে আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যাচার করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। আমি বাঁচতে চাই। আমি মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিলেও কিছু ব্যক্তি আমাকে এখনও হয়রানি করার চেষ্টা করছে। তাদের কারণে পুলিশ আমাকে মোবাইল ফোনে হুমকি ধমকি দিচ্ছে। অথচ আমি এই সবের ধারধারেও নাই। বর্তমানে রাজনীতি নিয়ে বেঁচে আছি এবং থাকতে চাই।

কিন্তু সেখানেও আমাকে নিয়ে অপ-প্রচার করছে। তিতাস উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুল ইসলাম সোহেল সিকদাকে জড়িয়ে নানা অসত্য লিখে আমাদেরকে ছোট করা হচ্ছে। আমি একজন সাধারণ জনগণ হয়ে বাঁচতে চাই। আমাকে স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে দিন। তিতাসবাসীর কাছে আমার ফরিয়াদ নৌকা করা কি অপরাধ ? প্রিয় তিতাসবাসী একটি মানুষের তার পছন্দের মার্কা থাকতেই পারে। এটা কি তার অপরাধ? তিতাস উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আজ এই নাটক সাজানো হচ্ছে।

আমাকে রাজনৈতিকভাবে অপদস্ত করার পায়তারা করছে একদল দুর্বৃত্ত। আমাকে নিয়ে টানা হেচরা না করে, নিজের কাজে মনোযোগ দিন লাভ হবে। আমাকে যদি আবার আগের অবস্থানে যেতে বাধ্য করা হয় তাহলে এর দায়ভার কে নিবে? আমি আর চাইনা ঐ জীবন। আমি আলোর পথে হাঁটতে চাই। এটাই আমার চাওয়া। সবাই দোয়া করবেন।