ফরিদপুরে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে

51

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলাতে শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধী এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ঘটনায় মেয়েটি ৬ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়েছে সূত্রে জানা গেছে। ধর্ষণের শিকার মেয়েটির নাম মায়া আক্তার(২৫)। সে উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের মক্রমপট্টি গ্রামের সুর্য্য মিয়ার মেয়ে। ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত হোটেল ব্যবসায়ী সামসু শেখকে শনিবার তার নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। তার বাড়ী উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের পাঁচকুল গ্রামে। সে মৃত ছাদেক শেকের ছেলে। এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় মেয়েটির মা শাহিদা বেগম বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হতদরিদ্র শাহিদা বেগমকে রেখে স্বামী সূর্য্য মিয়া প্রায় ১৫ বছর পূর্বে অন্যত্র বিবাহ করে। স্বামী পরিত্যক্ত অবস্থায় শাহিদা বেগম দীর্ঘ্যদিন যাবৎ সহায়-সম্বলহীন হয়ে বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানসহ ২ সন্তান নিয়ে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছে। জীবনধারনের জন্য উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের মালীগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত জায়গার ঝুপড়ী ঘরে বসবাস করে আসছে। মালীগ্রাম বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পিঠা বিক্রি এবং ঝিয়ের কাজ করে সংসার চালায়। শাহিদা বেগমের অনুপস্থিতে প্রতিবন্ধী যুবতী মায়ার প্রতি পাশেই হোটেল ব্যবসায়ী সামসু শেখের কুলালসার সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে প্রতিবন্ধী যুবতীকে একা থাকার সুবাদে সামসু শেখ তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে সে অন্তঃসত্তা হয়ে হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে পরীক্ষা করলে ডাক্তার জানান মেয়েটি ৬ মাসের অন্ত:সত্তা। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে শালিশ বৈঠকে মীমাংশার চেষ্টা করা হয়। পরে মীমাংশার চেষ্টা ব্যর্থ হলে সামসু গা ঢাকা দেয়। এদিকে গত ৯ এপ্রিল ২০১৯ ইং তারিখে শাহিদা বেগম বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানার এস.আই শফিকুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সামসু শেখকে তার নিজ বাড়ী থেকে গেফতার করেন।

স্থানীয় চান্দ্রা ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রতিবন্ধী যুবতীটিকে ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য করনীয় সকল সহযোগিতা করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here