বান্দরবানে পাহাড়ি-বাঙ্গালিদের প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ

169

মোহাম্মদ আব্দুর রহিম: পার্বত্য অঞ্চলের পহেলা বৈশাখ মানেই পাহাড়ি বাঙ্গালির প্রনের উৎসব, বৈশাখ মানেই পাহাড়ি-বাঙ্গালির সার্বজনীন উৎসব। সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি ও কল্যানের আশা নিয়ে ধুমদামের সঙ্গে দযাপন করছে বাংলা নববর্ষ। বান্দরবানের সব বয়সি বিভিন্ন ওশ্রনীপেশার মানুষ উৎসবের আনন্দে মেতে উঠে এ দিন টিতে। পোষাক পরিচ্ছদ, খাওয়া-দাওয়া, গান-বাজনা সব কিছুতেই প্রধান্য পায় বঙ্গালিয়ানা। যেন এ দিনটি একটি নতুন বছরের সুচনা।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮ টায় বান্দরবানের রাজার মাঠ প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবানের বিগ্রেডিয়ার জেনারেল খন্দকার মো. শহিদুল এমরান, এএফ ডব্লিউসি, পিএসসি, জেলা প্রশাসক দাউদুল ইসলাম, পলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষিপদ দাশ, নব নির্বাচিত সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীসহ আরো অনেকে।

স্থানিয় রাজার মাঠথেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরুর আগে থেকে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খন্ড খন্ড নিজস্ব শোভাযাত্রা নিয়ে রাজার মাঠে বৈশাখী শোভাযাত্রার সাথে মিলিত হয়। পার্বত্য জেলা পরিষদের নেস্ত বিভাগ ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনিষ্টিটিউট ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শোভাযাত্রা ও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও পুলিশ ব্যন্ড দলের পক্ষ থেকে ঢাক ঢোল পিটিয়ে, বিভিন্ন রং-বেরংয়ের পোষাক পরিদান করে পাহাড়ের ১১টি সম্প্রদায়ের নারী পুরুষরা এ পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রায় আংশ গ্রহন করেন। শোভাযাত্রা শেষে চলে পান্থা ভাতের অনুষ্ঠান। পান্তা ভাতের অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বান্দরবান রাজার মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।