বরগুনায় বিদুৎ কেন্দ্র পাল্টে যাবে দক্ষিণাঞ্চল

185

বরগুনা সংবাদদাত: বরগুনা জেলায় নির্মাণ কাজ চলছে দেশের অন্যতম ৩০৭ মেগোয়াট কয়ালাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের । প্রশাসন এলাকাবাসী , রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ মনে করেন, এতে জেলার মানুষের কর্মসংস্থাৃনের পাশাপাশি উন্নয়নের ছোঁয়া লাগবে উপকূলীয় এলাকায় ।

বরগুনার তালতলী উপজেলায় নির্মিত হচ্ছে দেশের অন্যতম ৩০৭ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপ বিদুৎ কেন্দ্র। আশা করা হচ্ছে, ২০২২ সালে বিদ্যুত উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে। এটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে চীনের ‘পাওয়ার চায়না রিসোর্স লিমিটেড’ ও বাংলাদেশের আইসোটেক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘আইসোটেক ইলেট্রিফিকেশন কোম্পানি লিমিটেড । ইতোমধ্যে ৩৩ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে স্থানীয় অনেক লোকের কর্মস্থানের পাশাপাশি তালতলী হবে দেশের অন্যতম ব্যবসা কেন্দ্র বলে মনে করেন জেলার ব্যবসায়ী নেতা ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ।

তালতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেন, নতুন নতুন পরিকল্পনা থাকলে এবং হোটেল, রিসোর্ট তৈরি করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এছাড়া তালতলীর সোনাকাটা ইকোপার্ক ও শুভ সন্ধ্যা বীচে পর্যটকদের আকৃষ্ট করা যাবে।

আইসোটেক গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার ফিরোজ চৌধুরী জানান, ওই এলাকায় শুধু বিদ্যুৎ প্লান্ট নয়, সেখানে কর্মরতদের ও স্থানীয়দের জন্য ৫০ শয্যার হাসপাতাল হবে। স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দির করা হবে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে সাড়ে তিন হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আইসোটেক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মঈনুল আলম জানান, ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বিদ্যুৎ একটি প্রধান উপাদান। পরিবেশের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বৈদেশিক অর্থায়নে নির্মিত হওয়ায় নিয়মনীতির ব্যত্যয় ঘটার সুযোগ নেই এ প্রকল্পে।

এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ব্যাপক শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র বিন্দুতে রূপ নেবে বরগুনা অঞ্চল । দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা আসবেন এখানে বিনিয়োগ করতে।সাগর পাড়ের অবহেলিত এ জেলাটি দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হবে।

বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ সমভু বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিনাঞ্চলবাসীর জন্য যে উন্নয়ন মহাযজ্ঞ করছেন এটা তারই অংশ । তিনি আরো বলেন এই প্রকল্পে বরগুনা অঞ্চলে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ফিরে আসবে।