কুমিল্লায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকদের বোরো ধান অধিক ফলন বৃদ্ধি করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

103

খন্দকার দেলোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধিনে বোরো ধান অধিক ফলনের লক্ষ্যে কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এ অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালকদের একদিনের এক কর্মশালা ২০ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগরী রেইসকোর্স নিশা টাওয়ার তৃতীয় তলায় রেডরোফ অডিটরিয়াম হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুরের মহাপরিচালক ড. মোঃ শাহজাহান কবির। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের গবেষণা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কৃষিবিদ ড. আব্দুর রৌফ। তিনি বলেন বোরো ধান আবাদে কৃষক যেন অধিক ফলন উৎপাদন করতে কৃষি কর্মকর্তা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকতা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালকগণ প্রত্যেক উপজেলায় মনিটরিং করেন। কৃষকদের মাঝে গিয়ে তাদের সাথে কথা বলেন। বোরো ধানের বিভিন্ন জাত সম্পর্কে আলোচনা করবেন। কৃষক কিভাবে অধিক ফলন উৎপাদন ফলাতে পারে ধানের ব্লাষ্ট রোগ তার প্রতিকারের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিবেন। ধানের চারা রোপনের পর রোগ নির্ণয়ের উপায়, রোগাক্রমনের পূর্বে করণীয়, রোগাক্রমনের পরে করণীয় সম্পর্কে কৃষককে অবহিত করতে হবে। নতুন একটি ধানের জাত আবিষ্কার হলে যেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে জেলা উপজেলায় বীজ সরবরাহ করা হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে, ব্রি গাজীপুরের পরিচালক প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা কৃষিবিদ ড. মোঃ আনছার আলী। এতে অন্যান্য বক্তব্য রাখেন কৃষিবিদ কুমিল্লা অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ জাহেদুল হক, হর্টিকালচার উইং, খামার বাড়ী ঢাকার ফার্মগেইট এর পরিচালক মিজানুর রহমান, মোঃ আবু নাছের, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দিলিপ কুমার অধিকারী, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা, আলী আহাম্মদ, উপ-পরিচালক, চাঁদপুর, ড. মোঃ শাহজাহান কবির, মহাপরিচালক, গাজীপুর, জুলফিকার আলী, উপজেলা কৃষি অফিসার, হোমনা, সালাহ উদ্দিন, উপজেলা কৃষি অফিসার, মতলব উত্তর। উক্ত কর্মশালায় বিভিন্ন জেলা থেকে আসা উপ-পরিচালক ও উপজেলা কৃষি অফিসারগণ ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউটের নিকট দাবী জানান অনেক উপ-পরিচালকের জেলায় যাতায়াতের জন্য যানবাহন, জনবল স্বল্পতার কারণে দ্রুত গতিতে কৃষকদের মাঝে গিয়ে সেবা পৌঁছাতে পারছেনা। নতুন ধানের আবিষ্কার হলে তা যেন স্বল্প পরিসরে হলেও প্রত্যেক জেলা উপজেলায় সরবরাহ করা হয়।