শুধু দুষ্টুকে দমন করেই খ্যান্ত হয়নি এসপি জসিম উদ্দিন পিপিএম 

48

উজ্জ্বল রায়:

আজ রবিবার (৬,জানুয়ারী) -২৭৪: শুধু দুষ্টুকে দমন করেই খ্যান্ত হননি সৃষ্টের লালনও করে, নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম)। পাশাপাশি তিনি সাধারণ জনগণকে দেখিয়েছেন কেমন করে জীবনে লড়াই করে টিকে থাকতে হয়। তিনি গ্রামের সাধারণ জনগণের জন্য এক উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, তিনি দেখিয়েছেন বাসভবনের আনাচে-কানাচে পড়ে থাকা ডোবা পরিষ্কার করে কিভাবে মাছ চাষ করতে হয়। কিভাবে শাক-সবজির চাষ করতে হয়। তিনি তাঁর বাসভবনের সামনে পতিত ডোবা পরিষ্কার করে সেখানে মাছের চাষ করেছেন। ডোবার চারপাশে চাষ করেছেন বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজির। তিনি সমাজের অবহেলিত জনগণকে শেখাতে চেয়েছেন কিভাবে সাংসারিক প্রয়োজনী দ্রব্যাদি সহজেই চাষ করা যায়। পুকুর পাড়ে পেঁপের চারা রোপন করে সেখান থেকে লাভবান হওয়া যায়। পুলিশ সুপারের বাসভবনের সামনের এই ডোবাটি দেখলেই বোঝা যায় মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম) কেমন করে সকলের দৃষ্ট আকর্ষন করছেন। এ কাজে শুধু তিনিই নন তাঁর সঙ্গে কাজ করছেন তাঁর সহধর্মীনি নাহিদা চৌধুরী সুমি এবং নড়াইল জেলা পুলিশ। কীটনাশকমুক্ত শাক-সবজি তিনি পুলিশ বাহিনীর জন্য বরাদ্দ করছেন। নড়াইল পুলিশ লাইন বেরাকে বিতরণ করা হচ্ছে এসকল শাক-সবজি। পুলিশ সুপারের পাশাপাশি এ ধরনের পতিত ডোবা বা জলাশয়ে বিভিন্ন প্রকার মাছ ও শাক-সবজির চাষ করছেন নড়াইল জেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তারাও। শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের মাঝেই এ কর্মকান্ড বিরাজ করছে না। নড়াইল জেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ জনগণও এ ধরনের মাছ চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। অনেকে শুরু করে দিয়েছে পতিত জলাশয়ে মাছের চাষ। বাড়ির আনাচে কানাচে পতিত জমিতে চাষ করছে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজির। যেসব শাক-সবজি কীটনাশকমুক্ত। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (পিপিএম), এর কাছে জানতে চাইলে তিনি, আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়কে জানান, আমি চাই আমার দায়িত্বরত এলাকার সকল জনগণ যাতে নিরাপদে শান্তিতে বসবাস করতে পারে তার জন্য আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি সাধারণ জনগণকে দেখাতে চেয়েছি কিভাবে জীবনে কষ্টের মধ্যে একটু সুখের আভাস পাওয়া যায়। কিভাবে পড়ে থাকা ডোবা-জলাশয়ে মাছের চাষ করে আমিষের অভাব পূরণ করা যায়। শুধু মাছ খেয়েই জীবন বাঁচে না, পতিত জমিতে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজির চাষ করেও মেটানো যায় নিজের পরিবারের সবজির চাহিদা। আমি আমার বাসভবনের সামনে পড়ে থাকা ডোবাটি পরিষ্কার করে সেখানে মাছের চাষ ও ডোবার পাড়ে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজির চাষ করেছি। সেখানো রোপন করেছি নানা ধরনের শাক সবজি, যাতে করে আমার পুলিশ বাহিনীর শাক-সবজির চাহিদা মেটানো যায়। আমরা কীটনাশকযুক্ত খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছি। এই কীটনাশক ছাড়া শাক-সবজির চাষের জন্য বাড়ির আনাচে-কানাচে পড়ে থাকা জমিই উত্তম। পতিত জমিতে শাক-সবজি কোন প্রকার কীটনাশক ছাড়াই চাষ করা যায়। আমি চাই আমার মত দেশের সকল জনগণ এভাবে পতিত ডোবা, জলাশয়ে মাছের এবং পতিত জমিতে শাক-সবজির চাষ করুক যাতে আমাদের আর কীটনাশকযুক্ত খাবার না খেতে হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here