মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছে ওরা ১১ জন !

233

ওরা ১১ জন- মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছেন মুরাদনগর উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিন এর নেতৃত্বে…………………..

মো: জহিরুল ইসলাম জুয়েল: বৈশ্বিক মহামারি (কোভিড-১৯) করোনা ভাইরাসের কারনে সারা বিশ্ব আজ স্তব্ধ। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশে ও করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবায় জন জীবন আজ বিপর্যস্ত। দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এফসিএ এর নির্দেশনায় একের পর এক মানবতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিন। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের শুরু থেকেই বিভিন্ন জনমুখী কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে আলোচনায় আসে রুহুল আমিন।

(কোভিড-১৯) এ আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তিদের দাফন কাফনের জন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে যুবলীগ। করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির দাফন কাফন/ সৎকারে যখন পরিবার-পরিজন,আত্মীয়-স্বজন,পুরোহিত,পূজা উৎযাপন কমিটি, জনপ্রতিনিধি, এলাকাবাসী কেউ এগিয়ে আসে না তখনি হাজির হয় ওরা ১১ জন। শত প্রতিবন্ধকতা,ঝড়- বৃষ্টি, অন্ধকার অমানিশা তাদের পথ রুদ্ধ করতে পারে না।

মৃত্যু ঝুঁকি পেছনে ফেলে দাফন কাফন/ সৎকার করে চলছে একের পর এক করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ। হোক সে হিন্দু,হোক সে মুসলিম,মানবিকতা এখানে সব কিছুকেই হার মানায়। যে যেই ধর্মের সেই ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ধর্মীয় বিধি মেনেই দাফন/ সৎকার সম্পন্ন করে চলেছেন। এছারা দেশে করোনা সংক্রমনের শুরু থেকেই সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরন,মাস্ক বিতরন,হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরন,উপজেলার বিভিন্ন বাজার,রাস্তায় ও যানবাহনে জীবাণুনাশক স্প্রে ছিটানো,উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানের সামনে সামাজিক দুরত্ব রেখা অংকন, লকডাউনের কারনে কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরন,ছিন্নমূল ও পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরন,অসহায় গরীবদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন,ফ্রী সবজি বাজার,লক ডাউনে থাকা করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তিদের বাড়িতে খাবার পাঠানো,আর্থিক অনুদান,অসহায় কৃষকদের ধান কেটে মাড়িয়ে দেয়া সহ নানা মুখী কর্মসূচি চালিয়ে আসছে যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিন।

এ বিষয়ে যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিনের কাছে জানতে চাইলে, সে জানায়,বৈশ্বিক এই মহামারি একদিন থাকবে না,পৃথিবী একদিন সুস্থ হয়ে উঠবে কিন্তু মানবতা থেকে যাবে। দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই আমাদের নেতা স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এফসিএ মহোদয়ের সাথে সার্বক্ষণিক পরামর্শক্রমে আমরা মানুষের সেবায় মাঠ নেমেছি।

যতদিন এই করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকবে ততদিন আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাব। ইনশাআল্লাহ! আমাদের কাছে ধর্ম- বর্নের কোন পার্থক্য নেই। সবাই সমান, সবাই মানুষ। এটাই আমাদের আসল পরিচয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে এ অবস্থায় আমরা সকলের সচেতনতা জরুরী। পাশাপাশি আক্রান্ত ও মৃত ব্যক্তিদের অবহেলা না করে তাদের পাশে দাড়ানোটাই হচ্ছে মানবতার দৃষ্টান্ত