আম্পানের কারনে মোংলার সাইক্লোন শেল্টারে ৫০হাজার মানুষ

114

ওয়াসিম আরমান:  অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে মোংলায় থেমে থেমে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মোংলা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতএর মধ্যে ৫০হাজার মানুষ সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছে। ২০ মে বুধবার রাতেই ঘূর্ণিঝড় সুন্দরবন উপকূল অতিক্রম করেছে। মোংলা বন্দরের হারবার মাষ্টার কমান্ডার ফখরউদ্দিন জানান বন্দরের ১১টি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে অবস্থান আছে। পন্য উঠা-নামার কাজ পুরোপুরি বন্ধ আছে। বন্দরের নিজস্ব এ্যালার্ট-৪ জারি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান জানান ১০৩টি সাইক্লোন শেল্টারে ইতিমধ্যে ৫০ হাজার উপকূলীয় মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন যাদেরকে শুকনা খাবার, খিচুড়ি, চিড়া, বিস্কুট ও শিশু খাদ্য দেয়া হয়েছে। এছাড়া ভোর রাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেহরির খাবার দেয়া হয়। কোস্ট গার্ড সূত্রে জানাগেছে সুন্দরবনে তাদের নিজস্ব ১৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে জেলেরা অবস্থান করেছে। তাদেরকে কোস্ট গার্ড খাদ্য সরবরাহ করেছে। সুন্দরবন এবং সাগরে জেলেদের নিরাপদে অবস্থান করার জন্য কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছিলো। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান বন বিভাগের কর্মকর্তাদের এবং জেলেদের নিরাপদ অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূল এলাকায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০-১৫ ফুট উচ্চতায় জ্বলোচ্ছাস দেখা দেয়ার সম্ভাবনা ছিলো তবে জোয়ারের আগেই স্থলভাগ অতিক্রম করায় তা হয়নি। তবে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৬-৭ ফুট পানির উচ্চতা বেড়েছিলো। জ্বলোচছাসের প্রভাবে মোংলার শতাধিক চিংড়ি ঘের তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ জেড এম তৌহিদুর রহমান। তবে পুরোপুরি ক্ষয়ক্ষতির চিত্র এ রিপোর্ট লেখা অবধি জানা যায়নি।