বাগেরহাটে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান’ মোকাবেলায় প্রস্তুত ৩৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র

82

জোবায়ের ফরাজী: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুপার সাইক্লোন আম্ফান। এবার ধেয়ে আসছে সুন্দরবন সন্নিহিত উপকূলীয় জেলায় । বাগেরহাট জেলার ৩৪৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে আশ্রয় প্রার্থীদের জন্য জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার উপযোগী পাকা ভবনগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে ৮৫টি মেডিকেল টিম। দুর্যোগ প্রস্তুুতি কমিটি জেলা ও ঝুঁকিপূর্ণ চার উপকূলীয় উপজেলায় জরুরি সভায় এ সিধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একই সাথে জেলা উপজেলায় কন্টোল রুম খুলে পরিস্থিতি সবার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে শুকনা খাবার ও পানি। লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনতে মাইকিং করছে রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্চাসেবকরা। সুন্দরবনের ১০টি ষ্টেশন ও টহল ফাঁড়ি বন্ধ করে সকল কর্মকর্তা-বনক্ষীদের পার্শবর্তী অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে। একই সাথে সুন্দরবনের সকল কর্মকর্তা-বনক্ষীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নিদের্শ দিয়েছে বন বিভাগ। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তি উদ্ধার তৎপরতা চালাতে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ডের পাশাপাশি যুব রেডক্রিসেন্ট-সিপিপিসহ স্বেচ্চাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, “স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জেলা ও উপজেলাগুলোতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়ের সুবিধার্খে সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্কুল ও কলেজগুলো খুলে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি মজুদ রাখতে বলা হয়েছে। এদিকে, ঘূর্ণিঝড় আম্পান উপকূলের দিকে এগিয়ে আসায় মোংলা বন্দরের জাহাজ ও নৌযান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরে একটি ঝড় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। ঝড় মোকাবেলায় বন্দরের সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”