শেখ হাসিনার সহযোগীতা চাইলেন সেভ দ্যা বাংলাদেশ মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি

182

কালজয়ী ডেস্ক: কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে রূপ নিয়েছে। এই মহামারি থেকে বাঁচার জন্য সরকার দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছে।যার ফলশ্রুতিতে আমাদের প্রিয় সঙ্গীতাঙ্গন হয়েছে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ। অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে অসংখ্য যন্ত্রশিল্পী,কন্ঠশিল্পী,গীতিকার,সুরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাই। যারা জীবনভর সকলের আনন্দের খোরাক যুগিয়েছে  ভূমিকা রেখেছে দেশ স্বাধীনের যুদ্ধ জয়েও। যেমন: মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি, মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।এই গানটি তৎকালীন সময়ে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার যুদ্ধে যাবার অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশকে তুলে ধরতে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন ভূমিকা রাখছে তেমনি আমাদের সঙ্গীতাঙ্গনও কোন অংশে ভূমিকা কম রাখেনি। বলতে গেলে একটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত দ্বারা সে দেশের নাম তুলে ধরা হয়। সেই সুবাদে গণতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের এই অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরতে সেভ দ্যা বাংলাদেশ মিউজিকি ইন্ডস্ট্রির আজকের এই সংবাদ সম্মেলন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী হাসান (আর্ক) কন্ঠশিল্পী আলম আরা মিনু, জাতীয় চলচ্চত্র পুরস্কার প্রাপ্ত সঙ্গীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ, জিঙ্গেল কিং ও সঙ্গীত পরিচালক রিপন খান, কন্ঠশিল্পী মিলন মাহমুদ, সেভ দ্যা বাংলাদেশ মিউজিক ইন্ডস্ট্রির আহবায়ক ও সঙ্গীতার কর্ণধার সেলিম খান, সদস্য সচিব আতিক ডালিম,প্রচার সম্পাদক ও সম্বন্নয়ক ফারহাতুল জান্নাত আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সুরকার,গীতিকার,যন্ত্রশিল্পীরা।

এসবিএমআই এর উপদেষ্টা জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা হাসান বলেন শিল্পীরা আত্মসম্মানিত তাই তারা রাস্তায় নেমে তাদের অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করতে পারছে না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা মুখ বুজেও সহ্য করতে পারছে না। এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন থাকবে আমাদের সঙ্গীতাঙ্গনকে বাঁচাতে আর্থিক অনুদান দিয়ে একজন সফল রাষ্ট্রনায়কের পাশাপাশি মমতাময়ী মায়ের মত ভূমিকা রাখুন।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত সঙ্গীত পরিচালক ও এসবিএমআই এর উপদেষ্টা ফরিদ আহমেদ বলেন আজ আমাদের সঙ্গীতাঙ্গনকে বাঁচাতে এগিয়ে না আসলে কাল সঙ্গীতকে পেশা হিসেবে নিতে আগামী প্রজন্ম ভয় পাবে। তাতে অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবে বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গীত ধারা।

এসবিএমআই এর আহবায়ক সঙ্গীতার কর্ণধার সেলিম খান বলেন রাষ্ট্রের ও সঙ্গীতাঙ্গনের দুর্দিনে সেভ দ্যা বাংলাদেশ নিউজিক ইন্ডাস্ট্রি সংগঠনটি সঙ্গীত সংশ্লিষ্ট সকলকে সাথে নিয়ে তাকিয়ে আছে আপনার দিকে। অন্যান্য শ্রেণি পেশার পাশাপাশি সঙ্গীতাঙ্গনকে অনুদানের আওতাভূক্ত করে অসহায় মানুষগুলিকে সম্মানসহ দুবেলা দুমুঠো খাবার খাওয়ার সুযোগ করে দিন।

কন্ঠ শিল্পী ও এসবিএমআই এর সদস্য সচিক আতিক ডালিম বলেন সঙ্গীত শিল্পী তৈরি করা যায় না,সঙ্গীত শিল্পী কালের বিবর্তনে জন্মায়।বৈষয়িক এই মহামারির সময়ে সঙ্গীতাঙ্গনকে বাঁচাতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আপনার স্নেহাশীষ একান্ত কাম্য।

ভিনদেশি রোহিঙ্গাদের দুর্যোগ মুহুর্তে আশ্রয় দিয়ে বিশ্বের দরবারে যে নজির আপনি সৃষ্টি করেছেন,নিজ দেশের সঙ্গীতাঙ্গনের এই অসহায় মানুষগুলোকে অন্তত আগামী ৬ মাসের জন্য অনুদানের আওতায় এনে আপনি মানবিকতার আরেকটি নজির স্থাপন করুন। আজ আমাদের সবার একটাই দাবি ।