রাণীশংকৈল হাসপাতালে করোনা আতঙ্কে সাধারণ রোগীর সংখ্যা খুবই কমে গেছে!  

218
হুমায়ুন কবির: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ্য কিন্তু করোনা আতঙ্কে বর্তমানে হাসপাতালে দিন দিন রোগীর সংখ্যা খুবই কমে এসেছে, থাকতে চায়ছেন না রোগীরা। হাসপাতালে প্রতিদিনের মতো চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের নেই কোন ভীড়। অথচ কিছুদিন আগেও রোগীদের ভীড়ে হাসপাতাল ছিল রোগীতে ঠাসা। ৫০ শয্যা পুরন হওয়ার পরও বারান্দার ফ্লোরে বিছানা পেতে রোগীদের চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। পঞ্চাশ শয্যাবিশিষ্ট্য এ হাসপাতালে রোগীদের জন্য থাকার ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমান চিত্র একবোরেই ভিন্ন। ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে ফাঁকা বেড, গুটি কয়েক রোগী। কর্মরত র্নাস ও ডাক্তাররা  নিজেদের চেম্বার ছেড়ে হাতে গ্লাভস পড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।কেউ মোবাইলে সময় কাটাচ্ছেন। দাঁড়িয়ে থাকা একজন ডাক্তার বলেন, রোগীদের খোঁজ খবর  নিচ্ছি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেইন ফটকে ডিজিটাল সাইনবোর্ড ঝুলানো। তাতে লেখা আছে (জরুরী বিজ্ঞপ্তীঃ সাধারণ হাচি, সর্দি, জ্বর হলে হাসপাতালে আসার প্রয়োজন নাই। ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম চৌধুরী ,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৩১৫৭৯। ডাঃ  ফিরোজ আলম , আবাসিক মেডিকেল অফিসার, মোবাইলঃ ০১৭২৭৯৮৯২৮৮। ডাঃ মোঃ মোরশেদুল আলম খান, মেডিকেল অফিসার, ডিজিজ কন্ট্রোল, মোবাইলঃ ০১৩০৯০৩৩৬১৮ রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও। আদেশক্রমে – হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।) এ বিষয়ে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফিরোজ আলম জানান, রোগীর সংখ্যা বেশ কমে  গেছে, কিন্তু হাসপাতালে আসা  গুরুত্বর রোগীরা ঠিকঠাক স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে। এদিকে টিএইচএ ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম চৌধুরী জানান, হাসপাতালে আমরা একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। মোবাইলে যোগাযোগ করলেই হবে। এ উপজেলায় করোনা ভাইরাসের কোন রোগী নেই। তবে আমরা উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে বিদেশ ফেরতদের বাড়িতে লাল ঝান্ডা দিয়ে চিহ্নিত করে রেখেছি।  আমাদের হাসপাতালে অন্যান্য রোগীর সংখা কম ‘দশ’ থেকে ‘বারো’ জন হতে পারে, আসলে রোগীরাও আতঙ্কে আছে।