জগন্নাথপুরে মিলছে না স্যাভলন হেক্সিসল

33

মোঃ সুজাত আলী: সারা দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ভাইরাস থেকে আক্রমণ প্রতিরোধের ওষুধ ও সার্জিক্যাল সামগ্রীর চাহিদা। কিন্তু সেভাবে উৎপাদন ও বাজারজাত বৃদ্ধি না পাওয়ায় প্রয়োজন মেটাতে পারছে না। বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এ সব পণ্যসামগ্রী। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে এমন চিত্র মিলেছে। করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে ধরা পড়ার পর থেকে এসব পণ্যের যে চাহিদা বাড়তে শুরু করে, সে সুযোগে এসব পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে কয়েকজনকে জরিমানা করায় তারা কিছুটা সংযত হয়। উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ওষুধের দোকান ও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে হাত ধোয়ার স্যানিটাইজারের জন্য গেলে পাওয়া যাচ্ছে না। দুয়েকটি দোকানে পাওয়া গেলে পরিমাণ কম। এ বিষয়ে বাজার ব্যবসায়ীরা জানান, স্যাভলন ও হেক্সিসল মূলত চারটি প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করে। এগুলো হলো এসিআই, অফসোনিন ও কাজী ফার্মাসিউটিক্যাল। এর বাইরে আরও কোম্পানি এ স্যানিটাইজার ও স্যাভলনের উৎপাদন করলেও এ সব এলাকায় পাওয়া যায় না। সপ্তাহের জন্য ৫ থেকে ১০ প্যাকেট হেক্সিসল ও স্যাভলন রাখলেও একদিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর গ্রাহক এলে আর দেওয়া যাচ্ছে না। তবে বাজার ব্যাবসায়ীরা জানান স্যানিটাইজারের কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।