লোহাগড়া ইউএনও’র হস্তক্ষেপে গৃহ হারা হলেন শেফালী

1408

ওবায়দুর রহমান: নড়াইলের লোহাগড়া স্বামী সন্তান হারা বিধবা শেফালীর একমাত্র শেষ শম্বল মাথাগোজার ঠাই কেড়ে নিলেন ইউএনও মুকুল কুমার মৈত্র শেফালীর স্বামী নেই ঘরবাড়ি নেই ছেলে মেয়ে নেই ১০ বছর আগে মাইট কুমড়া আশ্রায়ন প্রকল্পের ১৭ নং ব্রাকের ৭ নং ঘর শেফালীর নামে সরকারি দলিল মুলে ঘরে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতেন। যেহেতু তার কেউ নেই সেহেতু বৃদ্ধা হলেও নিজের ইনকাম নিজেরই করে খেতে হয়। কাজের জন্য বাইরে যেতে হয় বলেই অনেক সময় তার ঘরে থাকা হয়না। শেফালী কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন আমার ওই ব্রাকের ঘর ছাড়া আর কোন থাকার জায়গা নেই। এই ঘরটা হারালে আমার রাস্তা রাস্তায় থাকতে হবে। আমি বয়ষ্ক মানুষ কয়েক দিন অসুস্থ থাকার কারনে ক্লিনিকে ভর্তি ছিলাম এই সুযোগে আশ্রায়ন প্রকল্পের সভাপতি খায়ের মোল্যা ইউএনও স্যারকে নানা রকম কথা বলে ভুল তথ্য দিয়ে শেফালীর অনুপস্থিতে সভাপতি খায়ের মোল্যা তার ঘরের তালা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরের মালামাল বাইরে ফেলে দিয়েছে। সুত্রে জানাজায় অনৈতিক সুবিধার বিনিময় ঝিনাইদাহ জেলার কালিগঞ্জ থানার হরিদাশকে ওই ঘর দিয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শেফালীর পাশের ঘরের মিনতি রানী বলেন শেফালীর কোন ইনকামের লোক নেই তাই পেটের দায়ে বিভিন্ন জায়গা কাজ করে রাতে বাসায় আসে আবার অনেক সময় আসেনা। তবে এক মাস আসেনা কথাটা ঠিকনা একই কথা বলেন ঝর্না ও অনিতা রানী। তারা চায় শেফালীর ঘর শেফালীই ফিরে পাক। এ ঘটনা সভাপতির খায়ের মোল্যাকে খুজে পাওয়া যায় নাই। এ বিষয় ইউএনও মুকুল কুমার মৈত্র বলেন অনেকে বলেছে শেফালী ঘরে থাকে না। তাই এটা করা হয়েছে। তবে অন্য কোন ঘর খালি থাকলে ওনাকে দেয়া হবে। এদিকে শেফালী রানী বলেছেন ইউএনও স্যার যদি আমার ঘর ফিরিয়ে না দেয় আমি আত্মহত্যা করবো।