বাজারে আসছে বর্ষা সরকারের মিউজিক ভিডিও ‘‘দাগ’’

56

ইকবাল হাসান: সুর হউক প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে ভাষা। এমনই মন মাতানো মাধুরী মেশা, বেশ কিছু গান নিয়ে তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী বর্ষা সরকার এর গাওয়া মিউজিক ভিডিও ‘‘দাগ’’ শীঘ্রই বাজারে আসছে। এলবামটি জেড এইচ বাবুর মিউজিক কম্পোজিশন এবং দেশের শীর্ষ অডিও সংস্থা জি সিরিজ থেকে প্রকাাশিত হচ্ছে। উদীয়মান শিল্পী হাওর কন্যা খ্যাত বর্ষা জানান, গান গুলো নিজেরই লিখা এবং সুরও করেছেন তিনি।

সুরের ইন্দ্রজালে বর্ষার গান, ইতোমধ্যে নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের মন জয় করে নিয়েছেন। মন মাতানো বেশ কিছু গান ভেসে চলছে শ্রোতাদের মুখে মুখে। জেলার গন্ডি পেরিয়ে বিভিন্ন এলাকায় মঞ্চ পরিবেশনার ফলে এবার গানের মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করার প্রেরণা পাওয়া গেছে। ভক্তদের ভালোবাসার ফলে শিল্পীর নিজেরই কথা ও সুরে প্রথমবারের মতো মডেলিং মিউজিক ভিডিও ‘দাগ’ প্রকাশ করতে পেরেছেন। গানটিতে অভিনয় করেছেন এ সময়কার বিখ্যাত আর্টিস্ট অর্নব খান ও মেগা শ্রুতি। এতে মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন আনোয়ার হোসেন।

গানটি সম্পর্কে শিল্পী বর্ষা, শনিবার সাংবাদিকদের সাথে এক সাক্ষাতে বলেন, “স্টুডিওতে যখন এই গানটি নিয়ে কাজ করি তখন সঙ্গীতাঙ্গনের অনেকেই প্রশংসা করেছেন। স্থানীয়, জাতীয় ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় মিউজিক শো’তে গান গেয়ে ভক্ত – শ্রোতাদের যে ভালোবাসা আমি পেয়েছি, সে প্রেরণা থেকেই গান এবং ভিডিও প্রকাশ করার সাহস পেয়েছি। আমি চেয়েছি গানটিতে আমার জেলা নেত্রকোনার হাওরের প্রেম-প্রকৃতির স্মৃতি তুলে ধরতে। আশা করছি গান এবং ভিডিওতে শ্রোতা-দর্শক সুরের নতুন স্বাদ পাবে। আমি খুবই যত্ন সহকারে ভিডিওটির কাজ করেছি। পাশাপাশি মডেল মেঘা এবং অর্ণব ভাই খুবই আন্তরিকভাবে মিউজিক ভিডিওটিতে কাজ করেছেন, আশা করঠি শ্রোতা-ভক্তদের মুগ্ধ করবে। আমি এই গানটির মাধ্যমে সবার অন্তরে জায়গা করে নিতে চাই। দর্শকদের ভালো লাগলেই আমার কষ্ট স্বার্থক হবে।

উদীয়মান শিল্পী বর্ষার বাবার নাম শচীন্দ্র সরকার, মায়ের নাম শীলা রানী সরকার, বড় ভাই বিপ্লব সরকার এবং ছোট ভাই বাপ্পি সরকার প্রিন্স। তাঁর দাদু প্রখ্যাত অতুল গাইন নিজেই গান লিখতেন ও সুর করতেন। মা শিল্পী মনা হওয়ায় মায়ের হাত ধরেই সঙ্গীতে হাতেখড়ি। বর্ষার ছোট ভাই প্রিন্স গীটারিষ্ট ও বর্ষা কণ্ঠ শিল্পী হওয়ায়, বাড়ীর সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে উঠে সুরের মায়াজালে। শিল্পী বর্ষা নিজ জেলা নেত্রকোনা সহ দেশের সকল ভক্ত-বৃন্দের কাছে দোয়া ও আশির্বাদ চেয়েছেন। সেই সাথে জন্মভুমি ও মাটির মানুষকে ভালোবেসে আ-জীবন গান করতে চান। নতুন সাজে পরিচয় করিয়ে দিতে চান প্রিয় নেত্রকোনা অঞ্চলকে।